Surah Israel - বনী ইসরাঈল বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ, Audio, Arabic Ayat & English Meaning

17
Israel
বনী ইসরাঈল
Meaning: Israel - Released in Mecca Total Ayats: 111 (2030 to 2140) Total Ruku: 12 - Sijda: 107 Ayat Para: 15 - According to Najil: 50
# Ayat & Ortho Uccharon & English Meaning
1 سُبْحَٰنَ ٱلَّذِىٓ أَسْرَىٰ بِعَبْدِهِۦ لَيْلًا مِّنَ ٱلْمَسْجِدِ ٱلْحَرَامِ إِلَى ٱلْمَسْجِدِ ٱلْأَقْصَا ٱلَّذِى بَٰرَكْنَا حَوْلَهُۥ لِنُرِيَهُۥ مِنْ ءَايَٰتِنَآ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلسَّمِيعُ ٱلْبَصِيرُ ছুবহা-নাল্লাযীআছরা-বিআ‘বদিহী লাইলাম মিনাল মাছজিদিল হারা-মি ইলাল মাছজিদিল আকসাল্লাযী বা-রাকনা- হাওলাহূলিনুরিয়াহূমিন আ-য়া-তিনা- ইন্নাহূ হুওয়াছছামী‘উল বাসীর।
পরম পবিত্র ও মহিমাময় সত্তা তিনি, যিনি স্বীয় বান্দাকে রাত্রি বেলায় ভ্রমণ করিয়েছিলেন মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসা পর্যান্ত-যার চার দিকে আমি পর্যাপ্ত বরকত দান করেছি যাতে আমি তাঁকে কুদরতের কিছু নিদর্শন দেখিয়ে দেই। নিশ্চয়ই তিনি পরম শ্রবণকারী ও দর্শনশীল। Glory to (Allah) Who did take His servant for a Journey by night from the Sacred Mosque to the farthest Mosque, whose precincts We did bless,- in order that We might show him some of Our Signs: for He is the One Who heareth and seeth (all things).
2 وَءَاتَيْنَا مُوسَى ٱلْكِتَٰبَ وَجَعَلْنَٰهُ هُدًى لِّبَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ أَلَّا تَتَّخِذُوا۟ مِن دُونِى وَكِيلًا ওয়া আ-তাইনা-মূছাল কিতা-বা ওয়া জা‘আলনা-হু হুদাল লিবানী ইছরাঈলা আল্লাতাত্তাখিযূমিন দূনী ওয়াকীলা-।
আমি মূসাকে কিতাব দিয়েছি এবং সেটিকে বনী-ইসরাঈলের জন্যে হেদায়েতে পরিণত করেছি যে, তোমরা আমাকে ছাড়া কাউকে কার্যনিবাহী স্থির করো না। We gave Moses the Book, and made it a Guide to the Children of Israel, (commanding): "Take not other than Me as Disposer of (your) affairs."
3 ذُرِّيَّةَ مَنْ حَمَلْنَا مَعَ نُوحٍ إِنَّهُۥ كَانَ عَبْدًا شَكُورًا যুররিইইয়াতা মান হামালনা- মা‘আ নূহিন ইন্নাহূকা-না ‘আবদান শাকূরা-।
তোমরা তাদের সন্তান, যাদেরকে আমি নূহের সাথে সওয়ার করিয়েছিলাম। নিশ্চয় সে ছিল কৃতজ্ঞ বান্দা। O ye that are sprung from those whom We carried (in the Ark) with Noah! Verily he was a devotee most grateful.
4 وَقَضَيْنَآ إِلَىٰ بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ فِى ٱلْكِتَٰبِ لَتُفْسِدُنَّ فِى ٱلْأَرْضِ مَرَّتَيْنِ وَلَتَعْلُنَّ عُلُوًّا كَبِيرًا ওয়া কাদাইনা ইলা-বানী ইছরাঈলা ফিল কিতা-বি লাতুফছিদুন্না ফিল আরদি মাররাতাইনি ওয়া লাতা‘লুন্না ‘উলুওওয়ান কাবীরা-।
আমি বনী ইসরাঈলকে কিতাবে পরিষ্কার বলে দিয়েছি যে, তোমরা পৃথিবীর বুকে দুবার অনর্থ সৃষ্টি করবে এবং অত্যন্ত বড় ধরনের অবাধ্যতায় লিপ্ত হবে। And We gave (Clear) Warning to the Children of Israel in the Book, that twice would they do mischief on the earth and be elated with mighty arrogance (and twice would they be punished)!
5 فَإِذَا جَآءَ وَعْدُ أُولَىٰهُمَا بَعَثْنَا عَلَيْكُمْ عِبَادًا لَّنَآ أُو۟لِى بَأْسٍ شَدِيدٍ فَجَاسُوا۟ خِلَٰلَ ٱلدِّيَارِ وَكَانَ وَعْدًا مَّفْعُولًا ফাইযা-জাআ ওয়া‘দুঊলা-হুমা-বা‘আছনা -‘আলাইকুম ‘ইবা-দাল্লানাউলী বা’ছিন শাদীদিন ফাজা-ছূখিলা-লাদ দিয়া-রি ওয়া কা-না ওয়া‘দাম মাফ ‘ঊলা-।
অতঃপর যখন প্রতিশ্রুতি সেই প্রথম সময়টি এল, তখন আমি তোমাদের বিরুদ্ধে প্রেরণ করলাম আমার কঠোর যোদ্ধা বান্দাদেরকে। অতঃপর তারা প্রতিটি জনপদের আনাচে-কানাচে পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ল। এ ওয়াদা পূর্ণ হওয়ারই ছিল। When the first of the warnings came to pass, We sent against you Our servants given to terrible warfare: They entered the very inmost parts of your homes; and it was a warning (completely) fulfilled.
6 ثُمَّ رَدَدْنَا لَكُمُ ٱلْكَرَّةَ عَلَيْهِمْ وَأَمْدَدْنَٰكُم بِأَمْوَٰلٍ وَبَنِينَ وَجَعَلْنَٰكُمْ أَكْثَرَ نَفِيرًا ছু ম্মা রাদাদনা-লাকুমুল কাররাতা ‘আলাইহিম ওয়া আমদাদনা-কুম বিআমওয়া-লিওঁ ওয়া বানীনা ওয়া জা‘আলনা-কুম আকছারা নাফীরা-।
অতঃপর আমি তোমাদের জন্যে তাদের বিরুদ্ধে পালা ঘুয়িয়ে দিলাম, তোমাদেরকে ধন-সম্পদ ও পুত্রসন্তান দ্বারা সাহায্য করলাম এবং তোমাদেরকে জনসংখ্যার দিক দিয়ে একটা বিরাট বাহিনীতে পরিণত করলাম। Then did We grant you the Return as against them: We gave you increase in resources and sons, and made you the more numerous in man-power.
7 إِنْ أَحْسَنتُمْ أَحْسَنتُمْ لِأَنفُسِكُمْ وَإِنْ أَسَأْتُمْ فَلَهَا فَإِذَا جَآءَ وَعْدُ ٱلْءَاخِرَةِ لِيَسُۥٓـُٔوا۟ وُجُوهَكُمْ وَلِيَدْخُلُوا۟ ٱلْمَسْجِدَ كَمَا دَخَلُوهُ أَوَّلَ مَرَّةٍ وَلِيُتَبِّرُوا۟ مَا عَلَوْا۟ تَتْبِيرًا ইন আহছানতুম আহছানতুম লিআনফুছিকুম ওয়া ইন আছা’তুম ফালাহা- ফাইযাজাআ ওয়া‘দুল আ-খিরাতি লিইয়াছূঊ উজূহাকুম ওয়ালিইয়াদখুলুল মাছজিদা কামা-দাখালূহু আওওয়ালা মাররাতিওঁ ওয়া লিইউতাব্বিরূমা-‘আলাও তাতবীরা-।
তোমরা যদি ভাল কর, তবে নিজেদেরই ভাল করবে এবং যদি মন্দ কর তবে তাও নিজেদের জন্যেই। এরপর যখন দ্বিতীয় সে সময়টি এল, তখন অন্য বান্দাদেরকে প্রেরণ করলাম, যাতে তোমাদের মুখমন্ডল বিকৃত করে দেয়, আর মসজিদে ঢুকে পড়ে যেমন প্রথমবার ঢুকেছিল এবং যেখানেই জয়ী হয়, সেখানেই পুরোপুরি ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। If ye did well, ye did well for yourselves; if ye did evil, (ye did it) against yourselves. So when the second of the warnings came to pass, (We permitted your enemies) to disfigure your faces, and to enter your Temple as they had entered it before, and to visit with destruction all that fell into their power.
8 عَسَىٰ رَبُّكُمْ أَن يَرْحَمَكُمْ وَإِنْ عُدتُّمْ عُدْنَا وَجَعَلْنَا جَهَنَّمَ لِلْكَٰفِرِينَ حَصِيرًا আছা-রাব্বুকুম আই ইঁয়ারহামাকুম ওয়া ইন ‘উততুম ‘উদ না- ওয়া জা‘আলনাজাহান্নামা লিলকা-ফিরীনা হাসীরা-।
হয়ত তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করবেন। কিন্তু যদি পুনরায় তদ্রূপ কর, আমিও পুনরায় তাই করব। আমি জাহান্নামকে কাফেরদের জন্যে কয়েদখানা করেছি। It may be that your Lord may (yet) show Mercy unto you; but if ye revert (to your sins), We shall revert (to Our punishments): And we have made Hell a prison for those who reject (all Faith).
9 إِنَّ هَٰذَا ٱلْقُرْءَانَ يَهْدِى لِلَّتِى هِىَ أَقْوَمُ وَيُبَشِّرُ ٱلْمُؤْمِنِينَ ٱلَّذِينَ يَعْمَلُونَ ٱلصَّٰلِحَٰتِ أَنَّ لَهُمْ أَجْرًا كَبِيرًا ইন্না হা-যাল কুরআ-না ইয়াহদী লিল্লাতী হিয়া আকওয়ামুওয়াইউবাশশিরুল মু’মিনীনাল্লাযীনা ইয়া‘মালূনাসসা-লিহা-তি আন্না লাহুম আজরান কাবীরা-।
এই কোরআন এমন পথ প্রদর্শন করে, যা সর্বাধিক সরল এবং সৎকর্ম পরায়ণ মুমিনদেরকে সুসংবাদ দেয় যে, তাদের জন্যে মহা পুরস্কার রয়েছে। Verily this Qur'an doth guide to that which is most right (or stable), and giveth the Glad Tidings to the Believers who work deeds of righteousness, that they shall have a magnificent reward;
10 وَأَنَّ ٱلَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِٱلْءَاخِرَةِ أَعْتَدْنَا لَهُمْ عَذَابًا أَلِيمًا ওয়া আন্নাল্লাযীনা লা-ইউ’মিনূনা বিলআ-খিরাতি আ‘তাদনা-লাহুম ‘আযা-বান আলীমা-।
এবং যারা পরকালে বিশ্বাস করে না, আমি তাদের জন্যে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করেছি। And to those who believe not in the Hereafter, (it announceth) that We have prepared for them a Penalty Grievous (indeed).
11 وَيَدْعُ ٱلْإِنسَٰنُ بِٱلشَّرِّ دُعَآءَهُۥ بِٱلْخَيْرِ وَكَانَ ٱلْإِنسَٰنُ عَجُولًا ওয়া ইয়াদ‘উল ইনছা-নুবিশশাররি দু‘আআহূবিলখাইরি ওয়া কানা-ল ইনছা-নু ‘আজূলা-।
মানুষ যেভাবে কল্যাণ কামনা করে, সেভাবেই অকল্যাণ কামনা করে। মানুষ তো খুবই দ্রুততা প্রিয়। The prayer that man should make for good, he maketh for evil; for man is given to hasty (deeds).
12 وَجَعَلْنَا ٱلَّيْلَ وَٱلنَّهَارَ ءَايَتَيْنِ فَمَحَوْنَآ ءَايَةَ ٱلَّيْلِ وَجَعَلْنَآ ءَايَةَ ٱلنَّهَارِ مُبْصِرَةً لِّتَبْتَغُوا۟ فَضْلًا مِّن رَّبِّكُمْ وَلِتَعْلَمُوا۟ عَدَدَ ٱلسِّنِينَ وَٱلْحِسَابَ وَكُلَّ شَىْءٍ فَصَّلْنَٰهُ تَفْصِيلًا ওয়া জা‘আলনাল্লাইলা ওয়ান্নাহা-রাআ-ইয়াতাইনি ফামা হাওনাআ-য়াতাল্লাইলি ওয়া জা‘আলনাআ-য়াতান্নাহা-রি মুবসিরাতাল লিতাবতাগূফাদলাম মির রাব্বিকুম ওয়ালিতা‘লামূ‘আদাদাছ ছিনীনা ওয়াল হিছা-বা ওয়া কুল্লা শাইয়িন ফাসসালনা-হু তাফসীলা-।
আমি রাত্রি ও দিনকে দুটি নিদর্শন করেছি। অতঃপর নিস্প্রভ করে দিয়েছি রাতের নিদর্শন এবং দিনের নিদর্শনকে দেখার উপযোগী করেছি, যাতে তোমরা তোমাদের পালনকর্তার অনুগ্রহ অন্বেষণ কর এবং যাতে তোমরা স্থির করতে পার বছরসমূহের গণনা ও হিসাব এবং আমি সব বিষয়কে বিস্তারিত ভাবে বর্ণনা করেছি। We have made the Night and the Day as two (of Our) Signs: the Sign of the Night have We obscured, while the Sign of the Day We have made to enlighten you; that ye may seek bounty from your Lord, and that ye may know the number and count of the years: all things have We explained in detail.
13 وَكُلَّ إِنسَٰنٍ أَلْزَمْنَٰهُ طَٰٓئِرَهُۥ فِى عُنُقِهِۦ وَنُخْرِجُ لَهُۥ يَوْمَ ٱلْقِيَٰمَةِ كِتَٰبًا يَلْقَىٰهُ مَنشُورًا ওয়া কুল্লা ইনছা-নিন আলঝামনা-হু তাইরাহূফী ‘উনুকিহী ওয়ানুখরিজুলাহূইয়াওমাল কিয়া-মাতি কিতা-বাইঁ ইয়ালকা-হু মানশূরা-।
আমি প্রত্যেক মানুষের কর্মকে তার গ্রীবলগ্ন করে রেখেছি। কেয়ামতের দিন বের করে দেখাব তাকে একটি কিতাব, যা সে খোলা অবস্থায় পাবে। Every man's fate We have fastened on his own neck: On the Day of Judgment We shall bring out for him a scroll, which he will see spread open.
14 ٱقْرَأْ كِتَٰبَكَ كَفَىٰ بِنَفْسِكَ ٱلْيَوْمَ عَلَيْكَ حَسِيبًا ইকরা’ কিতা-বাকা কাফা-বিনাফছিকাল ইয়াওমা ‘আলাইকা হাছীবা-।
পাঠ কর তুমি তোমার কিতাব। আজ তোমার হিসাব গ্রহণের জন্যে তুমিই যথেষ্ট। (It will be said to him:) "Read thine (own) record: Sufficient is thy soul this day to make out an account against thee."
15 مَّنِ ٱهْتَدَىٰ فَإِنَّمَا يَهْتَدِى لِنَفْسِهِۦ وَمَن ضَلَّ فَإِنَّمَا يَضِلُّ عَلَيْهَا وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَىٰ وَمَا كُنَّا مُعَذِّبِينَ حَتَّىٰ نَبْعَثَ رَسُولًا মানিহতাদা-ফাইন্নামা-ইয়াহতাদী লিনাফছিহী ওয়ামান দাল্লা ফাইন্নামা-ইয়াদিল্লু ‘আলাইহা ওয়ালা-তাঝিরু ওয়া-ঝিরাতুওঁবিঝরা উখরা- ওয়ামা-কুন্নামু‘আযযি বীনা হাত্তা-নাব‘আছা রাছূলা-।
যে কেউ সৎপথে চলে, তারা নিজের মঙ্গলের জন্যেই সৎ পথে চলে। আর যে পথভ্রষ্ট হয়, তারা নিজের অমঙ্গলের জন্যেই পথ ভ্রষ্ট হয়। কেউ অপরের বোঝা বহন করবে না। কোন রাসূল না পাঠানো পর্যন্ত আমি কাউকেই শাস্তি দান করি না। Who receiveth guidance, receiveth it for his own benefit: who goeth astray doth so to his own loss: No bearer of burdens can bear the burden of another: nor would We visit with Our Wrath until We had sent an messenger (to give warning).
16 وَإِذَآ أَرَدْنَآ أَن نُّهْلِكَ قَرْيَةً أَمَرْنَا مُتْرَفِيهَا فَفَسَقُوا۟ فِيهَا فَحَقَّ عَلَيْهَا ٱلْقَوْلُ فَدَمَّرْنَٰهَا تَدْمِيرًا ওয়া ইযাআরাদনাআননুহলিকা কারইয়াতান আমারনা-মুতরাফীহা-ফাফাছাকূ ফীহাফাহাককা ‘আলাইহাল কাওলুফাদাম্মার না-হা-তাদমীরা-।
যখন আমি কোন জনপদকে ধ্বংস করার ইচ্ছা করি তখন তার অবস্থাপন্ন লোকদেরকে উদ্ধুদ্ধ করি অতঃপর তারা পাপাচারে মেতে উঠে। তখন সে জনগোষ্টীর উপর আদেশ অবধারিত হয়ে যায়। অতঃপর আমি তাকে উঠিয়ে আছাড় দেই। When We decide to destroy a population, We (first) send a definite order to those among them who are given the good things of this life and yet transgress; so that the word is proved true against them: then (it is) We destroy them utterly.
17 وَكَمْ أَهْلَكْنَا مِنَ ٱلْقُرُونِ مِنۢ بَعْدِ نُوحٍ وَكَفَىٰ بِرَبِّكَ بِذُنُوبِ عِبَادِهِۦ خَبِيرًۢا بَصِيرًا ওয়া কাম আহলাকনা-মিনাল কুরূনি মিম বা‘দি নূহিওঁ ওয়া কাফা-বিরাব্বিকা বিযুনূবি ‘ইবা-দিহী খাবীরাম বাসীরা-।
নূহের পর আমি অনেক উম্মতকে ধ্বংস করেছি। আপনার পালনকর্তাই বান্দাদের পাপাচারের সংবাদ জানা ও দেখার জন্যে যথেষ্ট। How many generations have We destroyed after Noah? and enough is thy Lord to note and see the sins of His servants.
18 مَّن كَانَ يُرِيدُ ٱلْعَاجِلَةَ عَجَّلْنَا لَهُۥ فِيهَا مَا نَشَآءُ لِمَن نُّرِيدُ ثُمَّ جَعَلْنَا لَهُۥ جَهَنَّمَ يَصْلَىٰهَا مَذْمُومًا مَّدْحُورًا মান কা-না ইউরীদুল ‘আ-জিলাতা ‘আজ্জালনা-লাহূফীহা-মা-নাশাউ লিমান নুরীদুছুম্মা জা‘আলনা-লাহূজাহান্নামা ইয়াসলা-হা-মাযমূমাম মাদহূরা-।
যে কেউ ইহকাল কামনা করে, আমি সেসব লোককে যা ইচ্ছা সত্ত্বর দিয়ে দেই। অতঃপর তাদের জন্যে জাহান্নাম নির্ধারণ করি। ওরা তাতে নিন্দিত-বিতাড়িত অবস্থায় প্রবেশ করবে। If any do wish for the transitory things (of this life), We readily grant them - such things as We will, to such person as We will: in the end have We provided Hell for them: they will burn therein, disgraced and rejected.
19 وَمَنْ أَرَادَ ٱلْءَاخِرَةَ وَسَعَىٰ لَهَا سَعْيَهَا وَهُوَ مُؤْمِنٌ فَأُو۟لَٰٓئِكَ كَانَ سَعْيُهُم مَّشْكُورًا ওয়া মান আরা-দাল আ-খিরাতা ওয়া ছা‘আ- লাহা- ছা‘ইয়াহা- ওয়া হুওয়া মু’মিনুন ফাউলাইকা কা-না ছা‘ইউহুম মাশকূরা-।
আর যারা পরকাল কামনা করে এবং মুমিন অবস্থায় তার জন্য যথাযথ চেষ্টা-সাধনা করে, এমন লোকদের চেষ্টা স্বীকৃত হয়ে থাকে। Those who do wish for the (things of) the Hereafter, and strive therefor with all due striving, and have Faith,- they are the ones whose striving is acceptable (to Allah).
20 كُلًّا نُّمِدُّ هَٰٓؤُلَآءِ وَهَٰٓؤُلَآءِ مِنْ عَطَآءِ رَبِّكَ وَمَا كَانَ عَطَآءُ رَبِّكَ مَحْظُورًا কুল্লান নুমিদ্দুহাউলাই ওয়া হাউলাই মিন ‘আতাই রাব্বিকা ওয়ামা-কা-না ‘আতাউ রাব্বিকা মাহজূরা-।
এদেরকে এবং ওদেরকে প্রত্যেককে আমি আপনার পালনকর্তার দান পৌছে দেই এবং আপনার পালকর্তার দান অবধারিত। Of the bounties of thy Lord We bestow freely on all- These as well as those: The bounties of thy Lord are not closed (to anyone).
21 ٱنظُرْ كَيْفَ فَضَّلْنَا بَعْضَهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ وَلَلْءَاخِرَةُ أَكْبَرُ دَرَجَٰتٍ وَأَكْبَرُ تَفْضِيلًا উনজু র কাইফা ফাদ্দালনা-বা‘দাহুম ‘আলা-বা‘দিওঁ ওয়ালাল আ-খিরাতুআকবারু দারাজা-তিওঁ ওয়া আকবারু তাফদীলা-।
দেখুন, আমি তাদের একদলকে অপরের উপর কিভাবে শ্রেষ্ঠত্ব দান করলাম। পরকাল তো নিশ্চয়ই মর্তবায় শ্রেষ্ঠ এবং ফযীলতে শ্রেষ্ঠতম। See how We have bestowed more on some than on others; but verily the Hereafter is more in rank and gradation and more in excellence.
22 لَّا تَجْعَلْ مَعَ ٱللَّهِ إِلَٰهًا ءَاخَرَ فَتَقْعُدَ مَذْمُومًا مَّخْذُولًا লা-তাজ‘আল মা‘আল্লা-হি ইলা-হান আ-খারা ফাতাক‘উদা মাযমূমাম মাখযূলা-।
স্থির করো না আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্য। তাহলে তুমি নিন্দিত ও অসহায় হয়ে পড়বে। Take not with Allah another object of worship; or thou (O man!) wilt sit in disgrace and destitution.
23 وَقَضَىٰ رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوٓا۟ إِلَّآ إِيَّاهُ وَبِٱلْوَٰلِدَيْنِ إِحْسَٰنًا إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِندَكَ ٱلْكِبَرَ أَحَدُهُمَآ أَوْ كِلَاهُمَا فَلَا تَقُل لَّهُمَآ أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا وَقُل لَّهُمَا قَوْلًا كَرِيمًا ওয়া কাদা-রাব্বুকা আল্লা-তা‘বুদূ ইল্লাইয়্যা-হু ওয়াবিলওয়া-লিদাইনি ইহছা-নান ইম্মা-ইয়াবলুগান্না ‘ইনদাকাল কিবারা আহাদুহুমাআও কিলা-হুমা-ফালা-তাকুল লাহুমা উফফিওঁ ওয়ালা-তানহারহুমা-ওয়া কুল লাহুমা-কাওলান কারীমা-।
তোমার পালনকর্তা আদেশ করেছেন যে, তাঁকে ছাড়া অন্য কারও এবাদত করো না এবং পিতা-মাতার সাথে সদ্ব-ব্যবহার কর। তাদের মধ্যে কেউ অথবা উভয়েই যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়; তবে তাদেরকে ‘উহ’ শব্দটিও বলো না এবং তাদেরকে ধমক দিও না এবং বল তাদেরকে শিষ্ঠাচারপূর্ণ কথা। Thy Lord hath decreed that ye worship none but Him, and that ye be kind to parents. Whether one or both of them attain old age in thy life, say not to them a word of contempt, nor repel them, but address them in terms of honour.
24 وَٱخْفِضْ لَهُمَا جَنَاحَ ٱلذُّلِّ مِنَ ٱلرَّحْمَةِ وَقُل رَّبِّ ٱرْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِى صَغِيرًا ওয়াখফিদলাহুমা-জানা-হাযযুলিল মিনার রাহমাতি ওয়াকু র রাব্বির হামহুমা-কামারাব্বাইয়া-নী সাগীরা-।
তাদের সামনে ভালবাসার সাথে, নম্রভাবে মাথা নত করে দাও এবং বলঃ হে পালনকর্তা, তাদের উভয়ের প্রতি রহম কর, যেমন তারা আমাকে শৈশবকালে লালন-পালন করেছেন। And, out of kindness, lower to them the wing of humility, and say: "My Lord! bestow on them thy Mercy even as they cherished me in childhood."
25 رَّبُّكُمْ أَعْلَمُ بِمَا فِى نُفُوسِكُمْ إِن تَكُونُوا۟ صَٰلِحِينَ فَإِنَّهُۥ كَانَ لِلْأَوَّٰبِينَ غَفُورًا রাব্বুকুম আ‘লামুবিমা ফী নুফূছিকুম ইন তাকূনূসা-লিহীনা ফাইন্নাহূকা-না লিল আওওয়া-বীনা গাফূরা-।
তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের মনে যা আছে তা ভালই জানেন। যদি তোমরা সৎ হও, তবে তিনি তওবাকারীদের জন্যে ক্ষমাশীল। Your Lord knoweth best what is in your hearts: If ye do deeds of righteousness, verily He is Most Forgiving to those who turn to Him again and again (in true penitence).
26 وَءَاتِ ذَا ٱلْقُرْبَىٰ حَقَّهُۥ وَٱلْمِسْكِينَ وَٱبْنَ ٱلسَّبِيلِ وَلَا تُبَذِّرْ تَبْذِيرًا ওয়া আ-তি যাল কুরবা-হাক্কাহূওয়াল মিছকীনা ওয়াবনাছ ছাবীলি ওয়ালা-তুবাযযি র তাবযীরা-।
আত্নীয়-স্বজনকে তার হক দান কর এবং অভাবগ্রস্ত ও মুসাফিরকেও। এবং কিছুতেই অপব্যয় করো না। And render to the kindred their due rights, as (also) to those in want, and to the wayfarer: But squander not (your wealth) in the manner of a spendthrift.
27 إِنَّ ٱلْمُبَذِّرِينَ كَانُوٓا۟ إِخْوَٰنَ ٱلشَّيَٰطِينِ وَكَانَ ٱلشَّيْطَٰنُ لِرَبِّهِۦ كَفُورًا ইন্নাল মুবাযযি রীনা কা-নূইখওয়া-নাশশাইয়া-তীনি ওয়া কা-নাশ শাইতা-নু লিরাব্বিহী কাফূরা-।
নিশ্চয় অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই। শয়তান স্বীয় পালনকর্তার প্রতি অতিশয় অকৃতজ্ঞ। Verily spendthrifts are brothers of the Evil Ones; and the Evil One is to his Lord (himself) ungrateful.
28 وَإِمَّا تُعْرِضَنَّ عَنْهُمُ ٱبْتِغَآءَ رَحْمَةٍ مِّن رَّبِّكَ تَرْجُوهَا فَقُل لَّهُمْ قَوْلًا مَّيْسُورًا ওয়া ইম্মা-তু‘রিদান্না ‘আনহুমুবতিগাআ রাহমাতিম মির রাব্বিকা তারজূহা-ফাকুল লাহুম কাওলাম মাইছূরা-।
এবং তোমার পালনকর্তার করুণার প্রত্যাশায় অপেক্ষামান থাকাকালে যদি কোন সময় তাদেরকে বিমুখ করতে হয়, তখন তাদের সাথে নম্রভাবে কথা বল। And even if thou hast to turn away from them in pursuit of the Mercy from thy Lord which thou dost expect, yet speak to them a word of easy kindness.
29 وَلَا تَجْعَلْ يَدَكَ مَغْلُولَةً إِلَىٰ عُنُقِكَ وَلَا تَبْسُطْهَا كُلَّ ٱلْبَسْطِ فَتَقْعُدَ مَلُومًا مَّحْسُورًا ওয়ালা- তাজ‘আল ইয়াদাকা মাগলূলাতান ইলা- ‘উনুকিকা ওয়ালা- তাবছুতহা- কুল্লাল বাছতিফাতাক‘উদা মালূমাম মাহছূরা-।
তুমি একেবারে ব্যয়-কুষ্ঠ হয়োনা এবং একেবারে মুক্ত হস্তও হয়ো না। তাহলে তুমি তিরস্কৃতি, নিঃস্ব হয়ে বসে থাকবে। Make not thy hand tied (like a niggard's) to thy neck, nor stretch it forth to its utmost reach, so that thou become blameworthy and destitute.
30 إِنَّ رَبَّكَ يَبْسُطُ ٱلرِّزْقَ لِمَن يَشَآءُ وَيَقْدِرُ إِنَّهُۥ كَانَ بِعِبَادِهِۦ خَبِيرًۢا بَصِيرًا ইন্না রাব্বাকা ইয়াবছুতুর রিঝকা লিমাইঁ ইয়াশাউ ওয়া ইয়াকদিরু ইন্নাহূকা-না বি‘ইবা-দিহী খাবীরাম বাসীরা-।
নিশ্চয় তোমার পালকর্তা যাকে ইচ্ছা অধিক জীবনোপকরণ দান করেন এবং তিনিই তা সংকুচিতও করে দেন। তিনিই তাঁর বান্দাদের সম্পর্কে ভালোভাবে অবহিত,-সব কিছু দেখছেন। Verily thy Lord doth provide sustenance in abundance for whom He pleaseth, and He provideth in a just measure. For He doth know and regard all His servants.
31 وَلَا تَقْتُلُوٓا۟ أَوْلَٰدَكُمْ خَشْيَةَ إِمْلَٰقٍ نَّحْنُ نَرْزُقُهُمْ وَإِيَّاكُمْ إِنَّ قَتْلَهُمْ كَانَ خِطْـًٔا كَبِيرًا ওয়ালা-তাকতুলূআওলা-দাকুম খাশইয়াতা ইমলা-কিন নাহনুনারঝুকুহুম ওয়া ইয়্যাকুম ইন্না কাতলাহুম কা-না খিতআন কাবীরা-।
দারিদ্রের ভয়ে তোমাদের সন্তানদেরকে হত্যা করো না। তাদেরকে এবং তোমাদেরকে আমিই জীবনোপকরণ দিয়ে থাকি। নিশ্চয় তাদেরকে হত্যা করা মারাত্নক অপরাধ। Kill not your children for fear of want: We shall provide sustenance for them as well as for you. Verily the killing of them is a great sin.
32 وَلَا تَقْرَبُوا۟ ٱلزِّنَىٰٓ إِنَّهُۥ كَانَ فَٰحِشَةً وَسَآءَ سَبِيلًا ওয়ালা-তাকরাবুঝ ঝিনাইন্নাহূকা-না ফা-হিশাতাওঁ ওয়া ছাআ ছাবীলা-।
আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ। Nor come nigh to adultery: for it is a shameful (deed) and an evil, opening the road (to other evils).
33 وَلَا تَقْتُلُوا۟ ٱلنَّفْسَ ٱلَّتِى حَرَّمَ ٱللَّهُ إِلَّا بِٱلْحَقِّ وَمَن قُتِلَ مَظْلُومًا فَقَدْ جَعَلْنَا لِوَلِيِّهِۦ سُلْطَٰنًا فَلَا يُسْرِف فِّى ٱلْقَتْلِ إِنَّهُۥ كَانَ مَنصُورًا ওয়ালা-তাকতুলুন্নাফছাল্লাতী হাররামাল্লা-হু ইল্লা-বিল হাক্কি ওয়া মান কুতিলা মাজলূমান ফাকাদ জা‘আলনা-লিওয়ালিইয়িহী ছুলতা-নান ফালা-ইউছরিফ ফিল কাতলি ইন্নাহূকা-না মানসূরা-।
সে প্রাণকে হত্যা করো না, যাকে আল্লাহ হারাম করেছেন; কিন্তু ন্যায়ভাবে। যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে নিহত হয়, আমি তার উত্তরাধিকারীকে ক্ষমতা দান করি। অতএব, সে যেন হত্যার ব্যাপারে সীমা লঙ্ঘন না করে। নিশ্চয় সে সাহায্যপ্রাপ্ত। Nor take life - which Allah has made sacred - except for just cause. And if anyone is slain wrongfully, we have given his heir authority (to demand qisas or to forgive): but let him not exceed bounds in the matter of taking life; for he is helped (by the Law).
34 وَلَا تَقْرَبُوا۟ مَالَ ٱلْيَتِيمِ إِلَّا بِٱلَّتِى هِىَ أَحْسَنُ حَتَّىٰ يَبْلُغَ أَشُدَّهُۥ وَأَوْفُوا۟ بِٱلْعَهْدِ إِنَّ ٱلْعَهْدَ كَانَ مَسْـُٔولًا ওয়ালা-তাকরাবূমা-লাল ইয়াতীমি ইল্লা-বিল্লাতী হিয়া আহছানুহাত্তা-ইয়াবলুগা আশুদ্দাহূ ওয়া আওফূবিল‘আহদি ইন্নাল ‘আহদা কা-না মাছউলা।
আর, এতিমের মালের কাছেও যেয়ো না, একমাত্র তার কল্যাণ আকাংখা ছাড়া; সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির যৌবনে পদার্পন করা পর্যন্ত এবং অঙ্গীকার পূর্ন কর। নিশ্চয় অঙ্গীকার সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। Come not nigh to the orphan's property except to improve it, until he attains the age of full strength; and fulfil (every) engagement, for (every) engagement will be enquired into (on the Day of Reckoning).
35 وَأَوْفُوا۟ ٱلْكَيْلَ إِذَا كِلْتُمْ وَزِنُوا۟ بِٱلْقِسْطَاسِ ٱلْمُسْتَقِيمِ ذَٰلِكَ خَيْرٌ وَأَحْسَنُ تَأْوِيلًا ওয়া আওফুল কাইলা ইযা-কিলতুম ওয়াঝিনূবিলকিছতা-ছিল মুছতাকীমি যা-লিকা খাইরুওঁ ওয়া আহছানুতা’বীলা-।
মেপে দেয়ার সময় পূর্ণ মাপে দেবে এবং সঠিক দাঁড়িপালায় ওজন করবে। এটা উত্তম; এর পরিণাম শুভ। Give full measure when ye measure, and weigh with a balance that is straight: that is the most fitting and the most advantageous in the final determination.
36 وَلَا تَقْفُ مَا لَيْسَ لَكَ بِهِۦ عِلْمٌ إِنَّ ٱلسَّمْعَ وَٱلْبَصَرَ وَٱلْفُؤَادَ كُلُّ أُو۟لَٰٓئِكَ كَانَ عَنْهُ مَسْـُٔولًا ওয়ালা-তাকফুমা-লাইছা লাকা বিহী ‘ইলমুন ইন্নাছ ছাম‘আ ওয়াল বাসারা ওয়াল ফুআ-দা কুল্লুউলাইকা কা-না ‘আনহু মাছঊলা-।
যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নেই, তার পিছনে পড়ো না। নিশ্চয় কান, চক্ষু ও অন্তঃকরণ এদের প্রত্যেকটিই জিজ্ঞাসিত হবে। And pursue not that of which thou hast no knowledge; for every act of hearing, or of seeing or of (feeling in) the heart will be enquired into (on the Day of Reckoning).
37 وَلَا تَمْشِ فِى ٱلْأَرْضِ مَرَحًا إِنَّكَ لَن تَخْرِقَ ٱلْأَرْضَ وَلَن تَبْلُغَ ٱلْجِبَالَ طُولًا ওয়া লা-তামশি ফিল আরদিমারাহান ইন্নাকা লান তাখরিকাল আরদা ওয়া লান তাবলুগাল জিবা-লা তূলা-।
পৃথিবীতে দম্ভভরে পদচারণা করো না। নিশ্চয় তুমি তো ভূ পৃষ্ঠকে কখনই বিদীর্ণ করতে পারবে না এবং উচ্চতায় তুমি কখনই পর্বত প্রমাণ হতে পারবে না। Nor walk on the earth with insolence: for thou canst not rend the earth asunder, nor reach the mountains in height.
38 كُلُّ ذَٰلِكَ كَانَ سَيِّئُهُۥ عِندَ رَبِّكَ مَكْرُوهًا কুল্লুযা-লিকা কা-না ছাইয়িউহূ‘ইনদা রাব্বিকা মাক রূহা-।
এ সবের মধ্যে যেগুলো মন্দকাজ, সেগুলো তোমার পালনকর্তার কাছে অপছন্দনীয়। Of all such things the evil is hateful in the sight of thy Lord.
39 ذَٰلِكَ مِمَّآ أَوْحَىٰٓ إِلَيْكَ رَبُّكَ مِنَ ٱلْحِكْمَةِ وَلَا تَجْعَلْ مَعَ ٱللَّهِ إِلَٰهًا ءَاخَرَ فَتُلْقَىٰ فِى جَهَنَّمَ مَلُومًا مَّدْحُورًا যা-লিকা মিম্মাআওহাইলাইকা রাব্বুকা মিনাল হিকমাতি ওয়ালা-তাজ‘আল মা‘আল্লা-হি ইলা-হান আ-খারা ফাতুলকা-ফী জাহান্নামা মালূমাম মাদহূরা-।
এটা ঐ হিকমতের অন্তর্ভূক্ত, যা আপনার পালনকর্তা আপনাকে ওহী মারফত দান করেছেন। আল্লাহর সাথে অন্য কোন উপাস্য স্থির করবেন না। তাহলে অভিযুক্ত ও আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে বিতাড়িত অবস্থায় জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবেন। These are among the (precepts of) wisdom, which thy Lord has revealed to thee. Take not, with Allah, another object of worship, lest thou shouldst be thrown into Hell, blameworthy and rejected.
40 أَفَأَصْفَىٰكُمْ رَبُّكُم بِٱلْبَنِينَ وَٱتَّخَذَ مِنَ ٱلْمَلَٰٓئِكَةِ إِنَٰثًا إِنَّكُمْ لَتَقُولُونَ قَوْلًا عَظِيمًا আফাআসফা-কুম রাব্বুকুম বিলবানীনা ওয়াত্তাখাযা মিনাল মালাইকাতি ইনা-ছান ইন্নাকুম লাতাকূলূনা কাওলান ‘আজীমা-।
তোমাদের পালনকর্তা কি তোমাদের জন্যে পুত্র সন্তান নির্ধারিত করেছেন এবং নিজের জন্যে ফেরেশতাদেরকে কন্যারূপে গ্রহণ করেছেন? নিশ্চয় তোমরা গুরুতর গর্হিত কথাবার্তা বলছ। Has then your Lord (O Pagans!) preferred for you sons, and taken for Himself daughters among the angels? Truly ye utter a most dreadful saying!

1 2 3