Surah Yunus - ইউনুস বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ, Audio, Arabic Ayat & English Meaning

10
Yunus
ইউনুস
Meaning: Jonah - Released in Mecca Total Ayats: 109 (1365 to 1473) Total Ruku: 11 - Sijda: Para: 11 - According to Najil: 51
# Ayat & Ortho Uccharon & English Meaning
1 الٓر تِلْكَ ءَايَٰتُ ٱلْكِتَٰبِ ٱلْحَكِيمِ আলিফ লাম রা- তিলকা আ-য়া-তুল কিতা-বিল হাকীম।
আলিফ-লাম-র, এগুলো হেকমতপূর্ণ কিতাবের আয়াত। A. L. R. These are the ayats of the Book of Wisdom.
2 أَكَانَ لِلنَّاسِ عَجَبًا أَنْ أَوْحَيْنَآ إِلَىٰ رَجُلٍ مِّنْهُمْ أَنْ أَنذِرِ ٱلنَّاسَ وَبَشِّرِ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ أَنَّ لَهُمْ قَدَمَ صِدْقٍ عِندَ رَبِّهِمْ قَالَ ٱلْكَٰفِرُونَ إِنَّ هَٰذَا لَسَٰحِرٌ مُّبِينٌ আকা-না লিন্না-ছি ‘আজাবান আন আওহাইনাইলা-রাজুলিম মিনহুম আন আনযিরিন্না-ছা ওয়া বাশশিরিল্লাযীনা আ-মানূআন্না লাহুম কাদামা সিদকিন ‘ইনদা রাব্বিহিম কা-লাল কা-ফিরূনা ইন্না হা-যা-লাছা-হিরুম মুবীন।
মানুষের কাছে কি আশ্চর্য লাগছে যে, আমি ওহী পাঠিয়েছি তাদেরই মধ্য থেকে একজনের কাছে যেন তিনি মানুষকে সতর্ক করেন এবং সুসংবাদ শুনিয়ে দেন ঈমনাদারগণকে যে, তাঁদের জন্য সত্য মর্যাদা রয়েছে তাঁদের পালনকর্তার কাছে। কাফেররা বলতে লাগল, নিঃসন্দেহে এ লোক প্রকাশ্য যাদুকর। Is it a matter of wonderment to men that We have sent Our inspiration to a man from among themselves?- that he should warn mankind (of their danger), and give the good news to the Believers that they have before their Lord the lofty rank of truth. (But) say the Unbelievers: "This is indeed an evident sorcerer!"
3 إِنَّ رَبَّكُمُ ٱللَّهُ ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ فِى سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ ٱسْتَوَىٰ عَلَى ٱلْعَرْشِ يُدَبِّرُ ٱلْأَمْرَ مَا مِن شَفِيعٍ إِلَّا مِنۢ بَعْدِ إِذْنِهِۦ ذَٰلِكُمُ ٱللَّهُ رَبُّكُمْ فَٱعْبُدُوهُ أَفَلَا تَذَكَّرُونَ ইন্না রাব্বাকুমুল্লা-হুল্লাযী খালাকাছ ছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদা ফী ছিত্তাতি আইয়া-মিন ছু ম্মাছতাওয়া-‘আলাল ‘আরশি ইউদাব্বিরুল আমরা মা-মিন শাফী‘ইন ইল্লা-মিম বা‘দি ইযনিহী যা-লিকুমুল্লা-হু রাব্বুকুম ফা‘বুদূ হু আফালা-তাযাক্কারূন।
নিশ্চয়ই তোমাদের পালনকর্তা আল্লাহ যিনি তৈরী করেছেন আসমান ও যমীনকে ছয় দিনে, অতঃপর তিনি আরশের উপর অধিষ্ঠিত হয়েছেন। তিনি কার্য পরিচালনা করেন। কেউ সুপারিশ করতে পাবে না তবে তাঁর অনুমতি ছাড়া ইনিই আল্লাহ তোমাদের পালনকর্তা। অতএব, তোমরা তাঁরই এবাদত কর। তোমরা কি কিছুই চিন্তা কর না ? Verily your Lord is Allah, who created the heavens and the earth in six days, and is firmly established on the throne (of authority), regulating and governing all things. No intercessor (can plead with Him) except after His leave (hath been obtained). This is Allah your Lord; Him therefore serve ye: will ye not receive admonition?
4 إِلَيْهِ مَرْجِعُكُمْ جَمِيعًا وَعْدَ ٱللَّهِ حَقًّا إِنَّهُۥ يَبْدَؤُا۟ ٱلْخَلْقَ ثُمَّ يُعِيدُهُۥ لِيَجْزِىَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ بِٱلْقِسْطِ وَٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَهُمْ شَرَابٌ مِّنْ حَمِيمٍ وَعَذَابٌ أَلِيمٌۢ بِمَا كَانُوا۟ يَكْفُرُونَ ইলাইহি মারজি‘উকুম জামী‘আওঁ ওয়া‘দাল্লা-হি হাক্কান ইন্নাহূইয়াবদাউল খালকা ছুম্মা ইউ‘ঈদুহূলিইয়াজঝিয়াল্লাযীনা আ-মানূওয়া আ‘মিলুসসা-লিহা-তি বিলকিছতি ওয়াল্লাযীনা কাফারূলাহুম শারা-বুম মিন হামীমিওঁ ওয়া ‘আযা-বুন আলীমুম বিমা-কা-নূ ইয়াকফুরূন।
তাঁর কাছেই ফিরে যেতে হবে তোমাদের সবাইকে, আল্লাহর ওয়াদা সত্য, তিনিই সৃষ্টি করেন প্রথমবার আবার পুনর্বার তৈরী করবেন তাদেরকে বদলা দেয়ার জন্য যারা ঈমান এনেছে এবং নেক কাজ করেছে ইনসাফের সাথে। আর যারা কাফের হয়েছে, তাদের পান করতে হবে ফুটন্ত পানি এবং ভোগ করতে হবে যন্ত্রনাদায়ক আযাব এ জন্যে যে, তারা কুফরী করছিল। To Him will be your return- of all of you. The promise of Allah is true and sure. It is He Who beginneth the process of creation, and repeateth it, that He may reward with justice those who believe and work righteousness; but those who reject Him will have draughts of boiling fluids, and a penalty grievous, because they did reject Him.
5 هُوَ ٱلَّذِى جَعَلَ ٱلشَّمْسَ ضِيَآءً وَٱلْقَمَرَ نُورًا وَقَدَّرَهُۥ مَنَازِلَ لِتَعْلَمُوا۟ عَدَدَ ٱلسِّنِينَ وَٱلْحِسَابَ مَا خَلَقَ ٱللَّهُ ذَٰلِكَ إِلَّا بِٱلْحَقِّ يُفَصِّلُ ٱلْءَايَٰتِ لِقَوْمٍ يَعْلَمُونَ হুওয়াল্লাযী জা‘আলাশশামছা দিয়াআওঁ ওয়ালকামারা নূরাওঁ ওয়াকাদ্দারাহূমানা-ঝিলা লিতা‘লামূ‘আদাদাছ ছিনীনা ওয়ালহিছা-বা মা-খালাকাল্লা-হু যা-লিকা ইল্লাবিলহাক্কি ইউফাসসিলুল আ-য়া-তি লিকাওমিইঁ ইয়া‘লামূন।
তিনিই সে মহান সত্তা, যিনি বানিয়েছেন সুর্যকে উজ্জল আলোকময়, আর চন্দ্রকে স্নিগ্ধ আলো বিতরণকারীরূপে এবং অতঃপর নির্ধারিত করেছেন এর জন্য মনযিল সমূহ, যাতে করে তোমরা চিনতে পার বছরগুলোর সংখ্যা ও হিসাব। আল্লাহ এই সমস্ত কিছু এমনিতেই সৃষ্টি করেননি, কিন্তু যথার্থতার সাথে। তিনি প্রকাশ করেন লক্ষণসমূহ সে সমস্ত লোকের জন্য যাদের জ্ঞান আছে। It is He Who made the sun to be a shining glory and the moon to be a light (of beauty), and measured out stages for her; that ye might know the number of years and the count (of time). Nowise did Allah create this but in truth and righteousness. (Thus) doth He explain His Signs in detail, for those who understand.
6 إِنَّ فِى ٱخْتِلَٰفِ ٱلَّيْلِ وَٱلنَّهَارِ وَمَا خَلَقَ ٱللَّهُ فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ لَءَايَٰتٍ لِّقَوْمٍ يَتَّقُونَ ইন্না ফিখতিলা-ফিল্লাইলি ওয়ান্নাহা-রি ওয়ামা-খালাকাল্লা-হু ফিছছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদি লাআ-য়া-তিল লিকাওমিইঁ ইয়াত্তাকূন।
নিশ্চয়ই রাত-দিনের পরিবর্তনের মাঝে এবং যা কিছু তিনি সৃষ্টি করেছেন আসমান ও যমীনে, সবই হল নিদর্শন সেসব লোকের জন্য যারা ভয় করে। Verily, in the alternation of the night and the day, and in all that Allah hath created, in the heavens and the earth, are signs for those who fear Him.
7 إِنَّ ٱلَّذِينَ لَا يَرْجُونَ لِقَآءَنَا وَرَضُوا۟ بِٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا وَٱطْمَأَنُّوا۟ بِهَا وَٱلَّذِينَ هُمْ عَنْ ءَايَٰتِنَا غَٰفِلُونَ ইন্নাল্লাযীনা লা-ইয়ারজূনা লিকাআনা-ওয়া রাদূবিলহায়া-তিদ দুনইয়া-ওয়াতমাআননূ বিহা-ওয়াল্লাযীনা হুম ‘আন আ-য়া-তিনা-গা-ফিলূন।
অবশ্যই যেসব লোক আমার সাক্ষাৎ লাভের আশা রাখে না এবং পার্থিব জীবন নিয়েই উৎফুল্ল রয়েছে, তাতেই প্রশান্তি অনুভব করেছে এবং যারা আমার নির্দশনসমূহ সম্পর্কে বেখবর। Those who rest not their hope on their meeting with Us, but are pleased and satisfied with the life of the present, and those who heed not Our Signs,-
8 أُو۟لَٰٓئِكَ مَأْوَىٰهُمُ ٱلنَّارُ بِمَا كَانُوا۟ يَكْسِبُونَ উলাইকা মা‘ওয়া-হুমুন্না-রু বিমা-কা-নূইয়াকছিবূন।
এমন লোকদের ঠিকানা হল আগুন সেসবের বদলা হিসাবে যা তারা অর্জন করছিল। Their abode is the Fire, because of the (evil) they earned.
9 إِنَّ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ يَهْدِيهِمْ رَبُّهُم بِإِيمَٰنِهِمْ تَجْرِى مِن تَحْتِهِمُ ٱلْأَنْهَٰرُ فِى جَنَّٰتِ ٱلنَّعِيمِ ইন্নাল্লাযীনা আ-মানূওয়া ‘আমিলুসসা-লিহা-তি ইয়াহদীহিম রাব্বুহুম বিঈমা-নিহিম তাজরী মিন তাহতিহিমুল আনহা-রু ফী জান্না-তিন না‘ঈম।
অবশ্য যেসব লোক ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, তাদেরকে হেদায়েত দান করবেন তাদের পালনকর্তা, তাদের ঈমানের মাধ্যমে। এমন সুসময় কানন-কুঞ্জের প্রতি যার তলদেশে প্রবাহিত হয় প্রস্রবণসমূহ। Those who believe, and work righteousness,- their Lord will guide them because of their faith: beneath them will flow rivers in gardens of bliss.
10 دَعْوَىٰهُمْ فِيهَا سُبْحَٰنَكَ ٱللَّهُمَّ وَتَحِيَّتُهُمْ فِيهَا سَلَٰمٌ وَءَاخِرُ دَعْوَىٰهُمْ أَنِ ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ দা‘ওয়া-হুম ফীহা-ছুবহা-নাকাল্লা-হুম্মা ওয়া তাহিইয়াতুহুম ফীহা-ছালা-মুওঁ ওয়া আখিরু দা‘ওয়া-হুম ‘আনিল হামদুলিল্লা-হি রাব্বিল ‘আ-লামীন।
সেখানে তাদের প্রার্থনা হল ‘পবিত্র তোমার সত্তা হে আল্লাহ’। আর শুভেচ্ছা হল সালাম আর তাদের প্রার্থনার সমাপ্তি হয়, ‘সমস্ত প্রশংসা বিশ্বপালক আল্লাহর জন্য’ বলে। (This will be) their cry therein: "Glory to Thee, O Allah!" And "Peace" will be their greeting therein! and the close of their cry will be: "Praise be to Allah, the Cherisher and Sustainer of the worlds!"
11 وَلَوْ يُعَجِّلُ ٱللَّهُ لِلنَّاسِ ٱلشَّرَّ ٱسْتِعْجَالَهُم بِٱلْخَيْرِ لَقُضِىَ إِلَيْهِمْ أَجَلُهُمْ فَنَذَرُ ٱلَّذِينَ لَا يَرْجُونَ لِقَآءَنَا فِى طُغْيَٰنِهِمْ يَعْمَهُونَ ওয়া লাও ইউআজজিলুল্লা-হু লিন্না-ছিশশাররাছতি‘জা-লাহুম বিলখাইরি লাকুদিয়া ইলাইহিম আজালুহুম ফানাযারুল্লাযীনা লা-ইয়ারজুনা লিকাআনা-ফী তুগইয়া-নিহিম ইয়া‘মাহূন।
আর যদি আল্লাহ তা’আলা মানুষকে যথাশীঘ্র অকল্যাণ পৌঁছে দেন যতশীঘ্র তার কামনা করে, তাহলে তাদের আশাই শেষ করে দিতে হত। সুতরাং যাদের মনে আমার সাক্ষাতের আশা নেই, আমি তাদেরকে তাদের দুষ্টুমিতে ব্যতিব্যস্ত ছেড়ে দিয়ে রাখি। If Allah were to hasten for men the ill (they have earned) as they would fain hasten on the good,- then would their respite be settled at once. But We leave those who rest not their hope on their meeting with Us, in their trespasses, wandering in distraction to and fro.
12 وَإِذَا مَسَّ ٱلْإِنسَٰنَ ٱلضُّرُّ دَعَانَا لِجَنۢبِهِۦٓ أَوْ قَاعِدًا أَوْ قَآئِمًا فَلَمَّا كَشَفْنَا عَنْهُ ضُرَّهُۥ مَرَّ كَأَن لَّمْ يَدْعُنَآ إِلَىٰ ضُرٍّ مَّسَّهُۥ كَذَٰلِكَ زُيِّنَ لِلْمُسْرِفِينَ مَا كَانُوا۟ يَعْمَلُونَ ওয়া ইযা-মাছছাল ইনছা-নাদদুররু দা‘আ-না-লিজামবিহী আও কা-‘ইদান আও কাইমান ফালাম্মা-কাশাফনা-‘আনহু দুররাহূমাররা কাআল্লামা ইয়াদ‘ঊনা ইলা-দুররিম মাছছাহূ কাযা-লিকা ঝুইয়িনা লিলমুছরিফীনা মা-কা-নূইয়া‘মালূন।
আর যখন মানুষ কষ্টের সম্মুখীন হয়, শুয়ে বসে, দাঁড়িয়ে আমাকে ডাকতে থাকে। তারপর আমি যখন তা থেকে মুক্ত করে দেই, সে কষ্ট যখন চলে যায় তখন মনে হয় কখনো কোন কষ্টেরই সম্মুখীন হয়ে যেন আমাকে ডাকেইনি। এমনিভাবে মনঃপুত হয়েছে নির্ভয় লোকদের যা তারা করেছে। When trouble toucheth a man, He crieth unto Us (in all postures)- lying down on his side, or sitting, or standing. But when We have solved his trouble, he passeth on his way as if he had never cried to Us for a trouble that touched him! thus do the deeds of transgressors seem fair in their eyes!
13 وَلَقَدْ أَهْلَكْنَا ٱلْقُرُونَ مِن قَبْلِكُمْ لَمَّا ظَلَمُوا۟ وَجَآءَتْهُمْ رُسُلُهُم بِٱلْبَيِّنَٰتِ وَمَا كَانُوا۟ لِيُؤْمِنُوا۟ كَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْقَوْمَ ٱلْمُجْرِمِينَ ওয়া লাকাদ আহলাকনাল কুরূনা মিন কাবলিকুম লাম্মা-জালামূ ওয়া জাআতহুম রুছুলুহুম বিলবাইয়িনা-তি ওয়ামা-কা-নূলিইউ’মিনূ কাযা-লিকা নাজঝিল কাওমাল মুজরিমীন।
অবশ্য তোমাদের পূর্বে বহু দলকে ধ্বংস করে দিয়েছি, তখন তারা জালেম হয়ে গেছে। অথচ রসূল তাদের কাছেও এসব বিষয়ের প্রকৃষ্ট নির্দেশ নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু কিছুতেই তারা ঈমান আনল না। এমনিভাবে আমি শাস্তি দিয়ে থাকি পাপি সম্প্রদায়কে। Generations before you We destroyed when they did wrong: their messengers came to them with clear-signs, but they would not believe! thus do We requite those who sin!
14 ثُمَّ جَعَلْنَٰكُمْ خَلَٰٓئِفَ فِى ٱلْأَرْضِ مِنۢ بَعْدِهِمْ لِنَنظُرَ كَيْفَ تَعْمَلُونَ ثُمَّ جَعَلْنَٰكُمْ خَلَٰٓئِفَ فِى ٱلْأَرْضِ مِنۢ بَعْدِهِمْ لِنَنظُرَ كَيْفَ تَعْمَلُونَ
ثُمَّ جَعَلْنَٰكُمْ خَلَٰٓئِفَ فِى ٱلْأَرْضِ مِنۢ بَعْدِهِمْ لِنَنظُرَ كَيْفَ تَعْمَلُونَ Then We made you heirs in the land after them, to see how ye would behave!
15 وَإِذَا تُتْلَىٰ عَلَيْهِمْ ءَايَاتُنَا بَيِّنَٰتٍ قَالَ ٱلَّذِينَ لَا يَرْجُونَ لِقَآءَنَا ٱئْتِ بِقُرْءَانٍ غَيْرِ هَٰذَآ أَوْ بَدِّلْهُ قُلْ مَا يَكُونُ لِىٓ أَنْ أُبَدِّلَهُۥ مِن تِلْقَآئِ نَفْسِىٓ إِنْ أَتَّبِعُ إِلَّا مَا يُوحَىٰٓ إِلَىَّ إِنِّىٓ أَخَافُ إِنْ عَصَيْتُ رَبِّى عَذَابَ يَوْمٍ عَظِيمٍ ওয়া ইযা-তুতলা-‘আলাইহিম আ-য়া-তুনা-বাইয়িনা-তিন কা-লাল্লাযীনা লাইয়ারজূনা লিকাআনা’তি বিকুরআ-নিন গাইরি হা-যা-আও বাদ্দিলহু কুল মাইয়াকূনুলীআন উবাদ্দিলাহূমিন তিলকাই নাফছী ইন আত্তাবি‘উ ইল্লা-মাইউহাইলাইইয়া ইন্নী আখা-ফুইন ‘আসাইতুরাববী ‘আযা-বা ইয়াওমিন ‘আজীম।
আর যখন তাদের কাছে আমার প্রকৃষ্ট আয়াত সমূহ পাঠ করা হয়, তখন সে সমস্ত লোক বলে, যাদের আশা নেই আমার সাক্ষাতের, নিয়ে এসো কোন কোরআন এটি ছাড়া, অথবা একে পরিবর্তিত করে দাও। তাহলে বলে দাও, একে নিজের পক্ষ থেকে পরিবর্তিত করা আমার কাজ নয়। আমি সে নির্দেশেরই আনুগত্য করি, যা আমার কাছে আসে। আমি যদি স্বীয় পরওয়ারদেগারের নাফরমানী করি, তবে কঠিন দিবসের আযাবের ভয় করি। But when Our Clear Signs are rehearsed unto them, those who rest not their hope on their meeting with Us, Say: "Bring us a reading other than this, or change this," Say: "It is not for me, of my own accord, to change it: I follow naught but what is revealed unto me: if I were to disobey my Lord, I should myself fear the penalty of a Great Day (to come)."
16 قُل لَّوْ شَآءَ ٱللَّهُ مَا تَلَوْتُهُۥ عَلَيْكُمْ وَلَآ أَدْرَىٰكُم بِهِۦ فَقَدْ لَبِثْتُ فِيكُمْ عُمُرًا مِّن قَبْلِهِۦٓ أَفَلَا تَعْقِلُونَ কুল লাও শাআল্লা-হু মা-তালাওতুহূ‘আলাইকুম ওয়ালাআদরা-কুম বিহী ফাকাদ লাবিছতুফীকুম ‘উমুরাম মিন কাবলিহী আফালা-তা‘কিলূন।
লে দাও, যদি আল্লাহ চাইতেন, তবে আমি এটি তোমাদের সামনে পড়তাম না, আর নাইবা তিনি তোমাদেরেকে অবহিত করতেন এ সম্পর্কে। কারণ আমি তোমাদের মাঝে ইতিপূর্বেও একটা বয়স অতিবাহিত করেছি। তারপরেও কি তোমরা চিন্তা করবে না? Say: "If Allah had so willed, I should not have rehearsed it to you, nor would He have made it known to you. A whole life-time before this have I tarried amongst you: will ye not then understand?"
17 فَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنِ ٱفْتَرَىٰ عَلَى ٱللَّهِ كَذِبًا أَوْ كَذَّبَ بِـَٔايَٰتِهِۦٓ إِنَّهُۥ لَا يُفْلِحُ ٱلْمُجْرِمُونَ ফামান আজলামুমিম্মানিফতারা-‘আলাল্লা-হি কাযিবান আও কাযযাবা বিআ-য়া-তিহী ইন্নাহূলা-ইউফলিহুল মুজরিমূন।
অতঃপর তার চেয়ে বড় জালেম, কে হবে, যে আল্লাহর প্রতি অপবাদ আরোপ করেছে কিংবা তাঁর আয়াতসমূহকে মিথ্যা বলে অভিহিত করছে? কস্মিনকালেও পাপীদের কোন কল্যাণ হয় না। Who doth more wrong than such as forge a lie against Allah, or deny His Signs? But never will prosper those who sin.
18 وَيَعْبُدُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ مَا لَا يَضُرُّهُمْ وَلَا يَنفَعُهُمْ وَيَقُولُونَ هَٰٓؤُلَآءِ شُفَعَٰٓؤُنَا عِندَ ٱللَّهِ قُلْ أَتُنَبِّـُٔونَ ٱللَّهَ بِمَا لَا يَعْلَمُ فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَلَا فِى ٱلْأَرْضِ سُبْحَٰنَهُۥ وَتَعَٰلَىٰ عَمَّا يُشْرِكُونَ ওয়া ইয়া‘বুদূ না মিন দূ নিল্লা-হি মা-লা-ইয়াদুররুহুম ওয়ালা-ইয়ানফা‘উহুম ওয়াইয়াকূলূনা হাউলাই শুফা‘আউনা-‘ইনদাল্লা-হি কুল আতুনাব্বিঊনাল্লা-হা বিমা-লা-ইয়া‘লামু ফিছছামা-ওয়া-তি ওয়ালা-ফিলআরদিছুবহা-নাহূওয়া তা‘আ-লা-‘আম্মা-ইউশরিকূন।
আর উপাসনা করে আল্লাহকে বাদ দিয়ে এমন বস্তুর, যা না তাদের কোন ক্ষতিসাধন করতে পারে, না লাভ এবং বলে, এরা তো আল্লাহর কাছে আমাদের সুপারিশকারী। তুমি বল, তোমরা কি আল্লাহকে এমন বিষয়ে অবহিত করছ, যে সম্পর্কে তিনি অবহিত নন আসমান ও যমীনের মাঝে ? তিনি পুতঃপবিত্র ও মহান সে সমস্ত থেকে যাকে তোমরা শরীক করছ। They serve, besides Allah, things that hurt them not nor profit them, and they say: "These are our intercessors with Allah." Say: "Do ye indeed inform Allah of something He knows not, in the heavens or on earth?- Glory to Him! and far is He above the partners they ascribe (to Him)!"
19 وَمَا كَانَ ٱلنَّاسُ إِلَّآ أُمَّةً وَٰحِدَةً فَٱخْتَلَفُوا۟ وَلَوْلَا كَلِمَةٌ سَبَقَتْ مِن رَّبِّكَ لَقُضِىَ بَيْنَهُمْ فِيمَا فِيهِ يَخْتَلِفُونَ ওয়া মা-কা-নান্না-ছুইল্লাউম্মাতাওঁ ওয়া হিদাতান ফাখতালাফূ ওয়া লাওলা-কালিমাতুন ছাবাকাত মির রাব্বিকা লাকুদিয়া বাইনাহুম ফীমা-ফীহি ইয়াখতালিফূন।
আর সমস্ত মানুষ একই উম্মতভুক্ত ছিল, পরে পৃথক হয়ে গেছে। আর একটি কথা যদি তোমার পরওয়ারদেগারের পক্ষ থেকে পূর্ব নির্ধারিত না হয়ে যেত; তবে তারা যে বিষয়ে বিরোধ করছে তার মীমাংসা হয়ে যেত। Mankind was but one nation, but differed (later). Had it not been for a word that went forth before from thy Lord, their differences would have been settled between them.
20 وَيَقُولُونَ لَوْلَآ أُنزِلَ عَلَيْهِ ءَايَةٌ مِّن رَّبِّهِۦ فَقُلْ إِنَّمَا ٱلْغَيْبُ لِلَّهِ فَٱنتَظِرُوٓا۟ إِنِّى مَعَكُم مِّنَ ٱلْمُنتَظِرِينَ ওয়া ইয়াকূলূনা লাওলাউনঝিলা ‘আলাইহি আ-য়াতুম মির রাব্বিহী ফাকুল ইন্নামাল গাইবুলিল্লা-হি ফানতাজিরু ইন্নী মা‘আকুম মিনাল মুনতাজিরীন।
বস্তুতঃ তারা বলে, তাঁর কাছে তাঁর পরওয়ারদেগারের পক্ষ থেকে কোন নির্দেশ এল না কেন? বলে দাও গায়েবের কথা আল্লাহই জানেন। আমি ও তোমাদের সাথে অপেক্ষায় রইলাম। They say: "Why is not a sign sent down to him from his Lord?" Say: "The Unseen is only for Allah (to know), then wait ye: I too will wait with you."
21 وَإِذَآ أَذَقْنَا ٱلنَّاسَ رَحْمَةً مِّنۢ بَعْدِ ضَرَّآءَ مَسَّتْهُمْ إِذَا لَهُم مَّكْرٌ فِىٓ ءَايَاتِنَا قُلِ ٱللَّهُ أَسْرَعُ مَكْرًا إِنَّ رُسُلَنَا يَكْتُبُونَ مَا تَمْكُرُونَ ওয়া ইযাআযাকনান্না-ছা রাহমাতাম মিম বা‘দি দাররাআ মাছছাতহুম ইযা-লাহুম মাকরুন ফী-আ-য়া-তিনা- কুল্লিলা-হু আছরা‘উ মাকরা- ইন্না রুছুলানাইয়াকতুবূনা মা-তামকুরূন।
আর যখন আমি আস্বাদন করাই স্বীয় রহমত সে কষ্টের পর, যা তাদের ভোগ করতে হয়েছিল, তখনই তারা আমার শক্তিমত্তার মাঝে নানা রকম ছলনা তৈরী করতে আরম্ভ করবে। আপনি বলে দিন, আল্লাহ সবচেয়ে দ্রুত কলা-কৌশল তৈরী করতে পারেন। নিশ্চয়ই আমাদের ফেরেশতারা লিখে রাখে তোমাদের ছল-চাতুরী। When We make mankind taste of some mercy after adversity hath touched them, behold! they take to plotting against Our Signs! Say: "Swifter to plan is Allah!" Verily, Our messengers record all the plots that ye make!
22 هُوَ ٱلَّذِى يُسَيِّرُكُمْ فِى ٱلْبَرِّ وَٱلْبَحْرِ حَتَّىٰٓ إِذَا كُنتُمْ فِى ٱلْفُلْكِ وَجَرَيْنَ بِهِم بِرِيحٍ طَيِّبَةٍ وَفَرِحُوا۟ بِهَا جَآءَتْهَا رِيحٌ عَاصِفٌ وَجَآءَهُمُ ٱلْمَوْجُ مِن كُلِّ مَكَانٍ وَظَنُّوٓا۟ أَنَّهُمْ أُحِيطَ بِهِمْ دَعَوُا۟ ٱللَّهَ مُخْلِصِينَ لَهُ ٱلدِّينَ لَئِنْ أَنجَيْتَنَا مِنْ هَٰذِهِۦ لَنَكُونَنَّ مِنَ ٱلشَّٰكِرِينَ হুওয়াল্লাযীইউছাইয়িরুকুম ফিল বাররি ওয়াল বাহরি হাত্তাইযা-কুনতুম ফিল ফুলকি ওয়া জারাইনা বিহিম বিরীহিন তাইয়িবাতিওঁ ওয়াফারিহূবিহা-জাআতহা-রীহুন ‘আসিফুওঁ ওয়া জাআহুমুল মাওজুমিন কুল্লি মাকা-নিও ওয়াজান্নূআন্নাহুম উহীতাবিহিম দা‘আউল্লা-হা মুখলিসীনা লাহুদদীনা লাইন আনজাইতানা-মিন হা-যিহী লানাকূনান্না মিনাশশা-কিরীন।
তিনিই তোমাদের ভ্রমন করান স্থলে ও সাগরে। এমনকি যখন তোমরা নৌকাসমূহে আরোহণ করলে আর তা লোকজনকে অনুকূল হাওয়ায় বয়ে নিয়ে চলল এবং তাতে তারা আনন্দিত হল, নৌকাগুলোর উপর এল তীব্র বাতাস, আর সর্বদিক থেকে সেগুলোর উপর ঢেউ আসতে লাগল এবং তারা জানতে পারল যে, তারা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে, তখন ডাকতে লাগল আল্লাহকে তাঁর এবাদতে নিঃস্বার্থ হয়ে যদি তুমি আমাদেরকে এ বিপদ থেকে উদ্ধার করে তোল, তাহলে নিঃসন্দেহে আমরা কৃতজ্ঞ থাকব। He it is Who enableth you to traverse through land and sea; so that ye even board ships;- they sail with them with a favourable wind, and they rejoice thereat; then comes a stormy wind and the waves come to them from all sides, and they think they are being overwhelmed: they cry unto Allah, sincerely offering (their) duty unto Him saying, "If thou dost deliver us from this, we shall truly show our gratitude!"
23 فَلَمَّآ أَنجَىٰهُمْ إِذَا هُمْ يَبْغُونَ فِى ٱلْأَرْضِ بِغَيْرِ ٱلْحَقِّ يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ إِنَّمَا بَغْيُكُمْ عَلَىٰٓ أَنفُسِكُم مَّتَٰعَ ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا ثُمَّ إِلَيْنَا مَرْجِعُكُمْ فَنُنَبِّئُكُم بِمَا كُنتُمْ تَعْمَلُونَ ফালাম্মাআনজা-হুম ইযা-হুম ইয়াবগুনা ফিল আরদিবিগাইরিল হাক্কি ইয়াআইয়ুহান্নাছুইন্নামা-বাগইউকুম ‘আলাআনফুছিকুম মাতা-‘আল হায়া-তিদদুনইয়া-ছু ম্মা ইলাইনামারজি‘উকুম ফানুনাব্বিউকুম বিমা-কুনতুম তা‘মালূন।
তারপর যখন তাদেরকে আল্লাহ বাঁচিয়ে দিলেন, তখনই তারা পৃথিবীতে অনাচার করতে লাগল অন্যায় ভাবে। হে মানুষ! শোন, তোমাদের অনাচার তোমাদেরই উপর পড়বে। পার্থিব জীবনের সুফল ভোগ করে নাও-অতঃপর আমার নিকট প্রত্যাবর্তন করতে হবে। তখন আমি বাতলে দেব, যা কিছু তোমরা করতে। But when he delivereth them, behold! they transgress insolently through the earth in defiance of right! O mankind! your insolence is against your own souls,- an enjoyment of the life of the present: in the end, to Us is your return, and We shall show you the truth of all that ye did.
24 إِنَّمَا مَثَلُ ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا كَمَآءٍ أَنزَلْنَٰهُ مِنَ ٱلسَّمَآءِ فَٱخْتَلَطَ بِهِۦ نَبَاتُ ٱلْأَرْضِ مِمَّا يَأْكُلُ ٱلنَّاسُ وَٱلْأَنْعَٰمُ حَتَّىٰٓ إِذَآ أَخَذَتِ ٱلْأَرْضُ زُخْرُفَهَا وَٱزَّيَّنَتْ وَظَنَّ أَهْلُهَآ أَنَّهُمْ قَٰدِرُونَ عَلَيْهَآ أَتَىٰهَآ أَمْرُنَا لَيْلًا أَوْ نَهَارًا فَجَعَلْنَٰهَا حَصِيدًا كَأَن لَّمْ تَغْنَ بِٱلْأَمْسِ كَذَٰلِكَ نُفَصِّلُ ٱلْءَايَٰتِ لِقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ ইন্নামা-মাছালুল হায়া-তিদ দুনইয়া-কামাইন আনঝালনা-হু মিনাছছামাই ফাখতালাতা বিহী নাবা-তুল আরদিমিম্মা-ইয়া’কুলুন্না-ছুওয়াল আন‘আ-মু হাত্তাইযাআখাযাতিল আরদুঝুখরুফাহা-ওয়াঝঝাইয়ানাত ওয়াজান্না আহলুহা-আন্নাহুম কাদিরূনা ‘আলাইহা আতা-হাআমরুনা-লাইলান আও নাহা-রান ফাজা‘আলনা-হাহাসীদান কাআল্লাম তাগনা বিলআমছি কাযা-লিকা নুফাসসিলুল আ-য়া-তি লিকাওমিইঁ ইয়াতাফাক্কারূন।
পার্থিব জীবনের উদাহরণ তেমনি, যেমনি আমি আসমান থেকে পানি বর্ষন করলাম, পরে তা মিলিত সংমিশ্রিত হয়ে তা থেকে যমীনের শ্যামল উদ্ভিদ বেরিয়ে এল যা মানুষ ও জীব-জন্তুরা খেয়ে থাকে। এমনকি যমীন যখন সৌন্দর্য সুষমায় ভরে উঠলো আর যমীনের অধিকর্তারা ভাবতে লাগল, এগুলো আমাদের হাতে আসবে, হঠাৎ করে তার উপর আমার নির্দেশ এল রাত্রে কিংবা দিনে, তখন সেগুলোকে কেটে স্তুপাকার করে দিল যেন কাল ও এখানে কোন আবাদ ছিল না। এমনিভাবে আমি খোলাখুলি বর্ণনা করে থাকি নিদর্শণসমূহ সে সমস্ত লোকদের জন্য যারা লক্ষ্য করে। The likeness of the life of the present is as the rain which We send down from the skies: by its mingling arises the produce of the earth- which provides food for men and animals: (It grows) till the earth is clad with its golden ornaments and is decked out (in beauty): the people to whom it belongs think they have all powers of disposal over it: There reaches it Our command by night or by day, and We make it like a harvest clean-mown, as if it had not flourished only the day before! thus do We explain the Signs in detail for those who reflect.
25 وَٱللَّهُ يَدْعُوٓا۟ إِلَىٰ دَارِ ٱلسَّلَٰمِ وَيَهْدِى مَن يَشَآءُ إِلَىٰ صِرَٰطٍ مُّسْتَقِيمٍ ওয়াল্লা-হু ইয়াদ‘ঊইলা-দা-রিছ ছালা-মি ওয়া ইয়াহদী মাইঁ ইয়াশাউ ইলা-সিরা-তিম মুছতাকীম।
আর আল্লাহ শান্তি-নিরাপত্তার আলয়ের প্রতি আহবান জানান এবং যাকে ইচ্ছা সরলপথ প্রদর্শন করেন। But Allah doth call to the Home of Peace: He doth guide whom He pleaseth to a way that is straight.
26 لِّلَّذِينَ أَحْسَنُوا۟ ٱلْحُسْنَىٰ وَزِيَادَةٌ وَلَا يَرْهَقُ وُجُوهَهُمْ قَتَرٌ وَلَا ذِلَّةٌ أُو۟لَٰٓئِكَ أَصْحَٰبُ ٱلْجَنَّةِ هُمْ فِيهَا خَٰلِدُونَ লিল্লাযীনা আহছানুল হুছনা-ওয়া ঝিয়া-দাতুওঁ ওয়ালা ইয়ারহাকুউজূহাহুম কাতারুওঁ ওয়ালা-যিল্লাতুন উলাইকা আসহা-বুল জান্নাতি হুম ফীহা-খা-লিদূ ন।
যারা সৎকর্ম করেছে তাদের জন্য রয়েছে কল্যাণ এবং তারও চেয়ে বেশী। আর তাদের মুখমন্ডলকে আবৃত করবে না মলিনতা কিংবা অপমান। তারাই হল জান্নাতবাসী, এতেই তারা বসবাস করতে থাকবে অনন্তকাল। To those who do right is a goodly (reward)- Yea, more (than in measure)! No darkness nor shame shall cover their faces! they are companions of the garden; they will abide therein (for aye)!
27 وَٱلَّذِينَ كَسَبُوا۟ ٱلسَّيِّـَٔاتِ جَزَآءُ سَيِّئَةٍۭ بِمِثْلِهَا وَتَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ مَّا لَهُم مِّنَ ٱللَّهِ مِنْ عَاصِمٍ كَأَنَّمَآ أُغْشِيَتْ وُجُوهُهُمْ قِطَعًا مِّنَ ٱلَّيْلِ مُظْلِمًا أُو۟لَٰٓئِكَ أَصْحَٰبُ ٱلنَّارِ هُمْ فِيهَا خَٰلِدُونَ ওয়াল্লাযীনা কাছাবুছছাইয়িআ-তি জাঝাউছাইয়িআতিম বিমিছলিহা- ওয়া তারহাকুহুম যিল্লাতুন মা-লাহুম মিনাল্লা-হি মিন ‘আ-সিমিন কাআন্নামা-উগশিয়াত উজুহুম কিতা‘আম মিনাল্লাইলি মুজলিমান উলাইকা আসহা-বুন্না-রি হুম ফীহাখা-লিদূ ন।
আর যারা সঞ্চয় করেছে অকল্যাণ অসৎ কর্মের বদলায় সে পরিমাণ অপমান তাদের চেহারাকে আবৃত করে ফেলবে। কেউ নেই তাদেরকে বাঁচাতে পারে আল্লাহর হাত থেকে। তাদের মুখমন্ডল যেন ঢেকে দেয়া হয়েছে আধাঁর রাতের টুকরো দিয়ে। এরা হল দোযখবাসী। এরা এতেই থাকবে অনন্তকাল। But those who have earned evil will have a reward of like evil: ignominy will cover their (faces): No defender will they have from (the wrath of) Allah: Their faces will be covered, as it were, with pieces from the depth of the darkness of night: they are companions of the Fire: they will abide therein (for aye)!
28 وَيَوْمَ نَحْشُرُهُمْ جَمِيعًا ثُمَّ نَقُولُ لِلَّذِينَ أَشْرَكُوا۟ مَكَانَكُمْ أَنتُمْ وَشُرَكَآؤُكُمْ فَزَيَّلْنَا بَيْنَهُمْ وَقَالَ شُرَكَآؤُهُم مَّا كُنتُمْ إِيَّانَا تَعْبُدُونَ ওয়া ইয়াওমা নাহশুরুহুম জামী‘আন ছুম্মা নাকূলুলিল্লাযীনা আশরাকূমাকা-নাকুম আনতুম ওয়া শুরাকাউকুম ফাঝাইইয়ালনা-বাইনাহুম ওয়া কা-লা শুরাকাউহুম মা-কুনতুম ইয়্যা-না-তা‘বুদূ ন।
আর যেদিন আমি তাদের সবাইকে সমবেত করব; আর যারা শেরক করত তাদেরকে বলবঃ তোমরা এবং তোমাদের শরীকরা নিজ নিজ জায়গায় দাঁড়িয়ে যাও-অতঃপর তাদেরকে পারস্পরিক বিচ্ছিন্ন করে দেব, তখন তাদের শরীকরা বলবে, তোমরা তো আমাদের উপাসনা-বন্দেগী করনি। One day shall We gather them all together. Then shall We say to those who joined gods (with Us): "To your place! ye and those ye joined as 'partners' We shall separate them, and their "Partners" shall say: "It was not us that ye worshipped!
29 فَكَفَىٰ بِٱللَّهِ شَهِيدًۢا بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمْ إِن كُنَّا عَنْ عِبَادَتِكُمْ لَغَٰفِلِينَ ফাকাফা-বিল্লা-হি শাহীদাম বাইনানা-ওয়া বাইনাকুমইনকুন্না-‘আন ‘ইবা-দাতিকুমলাগাফিলীন।
বস্তুতঃ আল্লাহ আমাদের ও তোমাদের মাঝে সাক্ষী হিসাবে যথেষ্ট। আমরা তোমাদের বন্দেগী সম্পর্কে জানতাম না। "Enough is Allah for a witness between us and you: we certainly knew nothing of your worship of us!"
30 هُنَالِكَ تَبْلُوا۟ كُلُّ نَفْسٍ مَّآ أَسْلَفَتْ وَرُدُّوٓا۟ إِلَى ٱللَّهِ مَوْلَىٰهُمُ ٱلْحَقِّ وَضَلَّ عَنْهُم مَّا كَانُوا۟ يَفْتَرُونَ হুনা-লিকা তাবলূকুল্লুনাফছিম মা-আছলাফাত ওয়া রুদ্দূইলাল্লা-হি মাওলা-হুমুলহাক্কিওয়া দাল্লা ‘আনহুম মা-কা-নূইয়াফতারূন।
সেখানে প্রত্যেকে যাচাই করে নিতে পারবে যা কিছু সে ইতিপূর্বে করেছিল এবং আল্লাহর প্রতি প্রত্যাবর্তন করবে যিনি তাদের প্রকৃত মালিক, আর তাদের কাছ থেকে দূরে যেতে থাকবে যারা মিথ্যা বলত। There will every soul prove (the fruits of) the deeds it sent before: they will be brought back to Allah their rightful Lord, and their invented falsehoods will leave them in the lurch.
31 قُلْ مَن يَرْزُقُكُم مِّنَ ٱلسَّمَآءِ وَٱلْأَرْضِ أَمَّن يَمْلِكُ ٱلسَّمْعَ وَٱلْأَبْصَٰرَ وَمَن يُخْرِجُ ٱلْحَىَّ مِنَ ٱلْمَيِّتِ وَيُخْرِجُ ٱلْمَيِّتَ مِنَ ٱلْحَىِّ وَمَن يُدَبِّرُ ٱلْأَمْرَ فَسَيَقُولُونَ ٱللَّهُ فَقُلْ أَفَلَا تَتَّقُونَ কুলমাইঁ ইয়ারঝুকুকুম মিনাছছামাই ওয়াল আরদি আম্মাইঁ ইয়ামলিকুছছাম‘আ ওয়াল আবসা-রা ওয়া মাইঁ ইউখরিজুল হাইইয়া মিনাল মাইয়িতি ওয়া ইউখরিজুল মাইয়িতা মিনাল হাইয়ি ওয়ামাইঁ ইউদাব্বিরুল আমরা ফাছাইয়াকূলূনাল্লা-হু ফাকুল আফালাতাত্তাকূন।
তুমি জিজ্ঞেস কর, কে রুযী দান করে তোমাদেরকে আসমান থেকে ও যমীন থেকে, কিংবা কে তোমাদের কান ও চোখের মালিক? তাছাড়া কে জীবিতকে মৃতের ভেতর থেকে বের করেন এবং কেইবা মৃতকে জীবিতের মধ্য থেকে বের করেন? কে করেন কর্ম সম্পাদনের ব্যবস্থাপনা? তখন তারা বলে উঠবে, আল্লাহ! তখন তুমি বলো তারপরেও ভয় করছ না? Say: "Who is it that sustains you (in life) from the sky and from the earth? or who is it that has power over hearing and sight? And who is it that brings out the living from the dead and the dead from the living? and who is it that rules and regulates all affairs?" They will soon say, "Allah". Say, "will ye not then show piety (to Him)?"
32 فَذَٰلِكُمُ ٱللَّهُ رَبُّكُمُ ٱلْحَقُّ فَمَاذَا بَعْدَ ٱلْحَقِّ إِلَّا ٱلضَّلَٰلُ فَأَنَّىٰ تُصْرَفُونَ ফাযা-লিকুমুল্লা-হু রাব্বুকুমুল হাক্কু ফামা-যা-বা‘দাল হাক্কিইল্লাদ্দালা-লু ফাআন্না-তুসরাফূন।
অতএব, এ আল্লাহই তোমাদের প্রকৃত পালনকর্তা। আর সত্য প্রকাশের পরে (উদভ্রান্ত ঘুরার মাঝে) কি রয়েছে গোমরাহী ছাড়া? সুতরাং কোথায় ঘুরছ? Such is Allah, your real Cherisher and Sustainer: apart from truth, what (remains) but error? How then are ye turned away?
33 كَذَٰلِكَ حَقَّتْ كَلِمَتُ رَبِّكَ عَلَى ٱلَّذِينَ فَسَقُوٓا۟ أَنَّهُمْ لَا يُؤْمِنُونَ কাযা-লিকা হাক্কাত কালিমাতুরাব্বিকা ‘আলাল্লাযীনা ফাছাকূআন্নাহুম লা-ইউ’মিনূন।
এমনিভাবে সপ্রমাণিত হয়ে গেছে তোমার পরওয়ারদেগারের বাণী সেসব নাফরমানের ব্যাপারে যে, এরা ঈমান আনবে না। Thus is the word of thy Lord proved true against those who rebel: Verily they will not believe.
34 قُلْ هَلْ مِن شُرَكَآئِكُم مَّن يَبْدَؤُا۟ ٱلْخَلْقَ ثُمَّ يُعِيدُهُۥ قُلِ ٱللَّهُ يَبْدَؤُا۟ ٱلْخَلْقَ ثُمَّ يُعِيدُهُۥ فَأَنَّىٰ تُؤْفَكُونَ কুল হাল মিন শুরাকাইকুম মাইঁ ইয়াবদাউল খালকা ছুম্মা ইউ‘ঈদুহূ কুল্লিলা-হু ইয়াবদাউল খালকা ছুম্মা ইউ‘ঈদুহূফাআন্না-তু’ফাকূন।
বল, আছে কি কেউ তোমাদের শরীকদের মাঝে যে সৃষ্টি কে পয়দা করতে পারে এবং আবার জীবিত করতে পারে? বল, আল্লাহই প্রথমবার সৃষ্টি করেন এবং অতঃপর তার পুনরুদ্ভব করবেন। অতএব, কোথায় ঘুরপাক খাচ্ছে? Say: "Of your 'partners', can any originate creation and repeat it?" Say: "It is Allah Who originates creation and repeats it: then how are ye deluded away (from the truth)?"
35 قُلْ هَلْ مِن شُرَكَآئِكُم مَّن يَهْدِىٓ إِلَى ٱلْحَقِّ قُلِ ٱللَّهُ يَهْدِى لِلْحَقِّ أَفَمَن يَهْدِىٓ إِلَى ٱلْحَقِّ أَحَقُّ أَن يُتَّبَعَ أَمَّن لَّا يَهِدِّىٓ إِلَّآ أَن يُهْدَىٰ فَمَا لَكُمْ كَيْفَ تَحْكُمُونَ কুল হাল মিন শুরাকাইকুম মাইঁ ইয়াহদী ইলাল হাক্কি কুল্লিলা-হু ইয়াহদী লিলহাক্কি আফামাইঁ ইয়াহদী ইলাল হাক্কিআহাক্কুআইঁ ইউত্তাবা‘আ আম্মাল লাইয়াহিদ্দীইল্লাআইঁ ইউহদা- ফামা-লাকুম কাইফা তাহকুমূন।
জিজ্ঞেস কর, আছে কি কেউ তোমাদের শরীকদের মধ্যে যে সত্য-সঠিক পথ প্রদর্শন করবে? বল, আল্লাহই সত্য-সঠিক পথ প্রদর্শন করেন, সুতরাং এমন যে লোক সঠিক পথ দেখাবে তার কথা মান্য করা কিংবা যে লোক নিজে নিজে পথ খুঁজে পায় না, তাকে পথ দেখানো কর্তব্য। অতএব, তোমাদের কি হল, কেমন তোমাদের বিচার? Say: "Of your 'partners' is there any that can give any guidance towards truth?" Say: "It is Allah Who gives guidance towards truth, is then He Who gives guidance to truth more worthy to be followed, or he who finds not guidance (himself) unless he is guided? what then is the matter with you? How judge ye?"
36 وَمَا يَتَّبِعُ أَكْثَرُهُمْ إِلَّا ظَنًّا إِنَّ ٱلظَّنَّ لَا يُغْنِى مِنَ ٱلْحَقِّ شَيْـًٔا إِنَّ ٱللَّهَ عَلِيمٌۢ بِمَا يَفْعَلُون ওয়ামা-ইয়াত্তাবি‘উ আকছারুহুম ইল্লা-জান্নান ইন্নাজ্জান্না লা-ইউগনী মিনাল হাক্কিশাইআন ইন্নাল্লা-হা ‘আলীমুম বিমা-ইয়াফ‘আলূন।
বস্তুতঃ তাদের অধিকাংশই শুধু আন্দাজ-অনুমানের উপর চলে, অথচ আন্দাজ-অনুমান সত্যের বেলায় কোন কাজেই আসে না। আল্লাহ ভাল করেই জানেন, তারা যা কিছু করে। But most of them follow nothing but fancy: truly fancy can be of no avail against truth. Verily Allah is well aware of all that they do.
37 وَمَا كَانَ هَٰذَا ٱلْقُرْءَانُ أَن يُفْتَرَىٰ مِن دُونِ ٱللَّهِ وَلَٰكِن تَصْدِيقَ ٱلَّذِى بَيْنَ يَدَيْهِ وَتَفْصِيلَ ٱلْكِتَٰبِ لَا رَيْبَ فِيهِ مِن رَّبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ওয়া মা-কা-না হা-যাল কুরআ-নু আইঁ ইউফতারা-মিন দূনিল্লা-হি ওয়ালা-কিন তাসদীকাল্লাযী বাইনা ইয়াদাইহি ওয়া তাফসীলাল কিতা-বি লা-রাইবা ফীহি মির রাব্বিল ‘আ-লামীন।
আর কোরআন সে জিনিস নয় যে, আল্লাহ ব্যতীত কেউ তা বানিয়ে নেবে। অবশ্য এটি পূর্ববর্তী কালামের সত্যায়ন করে এবং সে সমস্ত বিষয়ের বিশ্লেষণ দান করে যা তোমার প্রতি দেয়া হয়েছে, যাতে কোন সন্দেহ নেই-তোমার বিশ্বপালনকর্তার পক্ষ থেকে। This Qur'an is not such as can be produced by other than Allah; on the contrary it is a confirmation of (revelations) that went before it, and a fuller explanation of the Book - wherein there is no doubt - from the Lord of the worlds.
38 أَمْ يَقُولُونَ ٱفْتَرَىٰهُ قُلْ فَأْتُوا۟ بِسُورَةٍ مِّثْلِهِۦ وَٱدْعُوا۟ مَنِ ٱسْتَطَعْتُم مِّن دُونِ ٱللَّهِ إِن كُنتُمْ صَٰدِقِينَ আম ইয়াকূলূনাফ তারা-হু কুল ফা’তূবিছূরাতিম মিছলিহী ওয়াদ‘ঊ মানিছতাতা‘আতুম মিন দূ নিল্লা-হি ইন কুনতুম সা-দিকীন।
মানুষ কি বলে যে, এটি বানিয়ে এনেছ? বলে দাও, তোমরা নিয়ে এসো একটিই সূরা, আর ডেকে নাও, যাদেরকে নিতে সক্ষম হও আল্লাহ ব্যতীত, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক। Or do they say, "He forged it"? say: "Bring then a Sura like unto it, and call (to your aid) anyone you can besides Allah, if it be ye speak the truth!"
39 بَلْ كَذَّبُوا۟ بِمَا لَمْ يُحِيطُوا۟ بِعِلْمِهِۦ وَلَمَّا يَأْتِهِمْ تَأْوِيلُهُۥ كَذَٰلِكَ كَذَّبَ ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ فَٱنظُرْ كَيْفَ كَانَ عَٰقِبَةُ ٱلظَّٰلِمِينَ বাল কাযযাবূবিমা-লাম ইউহীতুবি‘ইলমিহী ওয়ালাম্মা-ইয়া’তিহিম তা’বীলুহূ কাযা-লিকা কাযযাবাল্লাযীনা মিন কাবলিহিম ফানজুর কাইফা কা-না ‘আকিবাতুজ্জা-লিমীন।
কিন্তু কথা হল এই যে, তারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করতে আরম্ভ করেছে যাকে বুঝতে, তারা অক্ষম। অথচ এখনো এর বিশ্লেষণ আসেনি। এমনিভাবে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে তাদের পূর্ববর্তীরা। অতএব, লক্ষ্য করে দেখ, কেমন হয়েছে পরিণতি। Nay, they charge with falsehood that whose knowledge they cannot compass, even before the elucidation thereof hath reached them: thus did those before them make charges of falsehood: but see what was the end of those who did wrong!
40 وَمِنْهُم مَّن يُؤْمِنُ بِهِۦ وَمِنْهُم مَّن لَّا يُؤْمِنُ بِهِۦ وَرَبُّكَ أَعْلَمُ بِٱلْمُفْسِدِينَ ওয়া মিনহুম মাইঁ ইউ’মিনুবিহী ওয়া মিনহুম মাল লা-ইউ’মিনুবিহী ওয়া রাব্বুকা আ‘লামু বিল মুফছিদীন।
আর তাদের মধ্যে কেউ কেউ কোরআনকে বিশ্বাস করবে এবং কেউ কেউ বিশ্বাস করবে না। বস্তুতঃ তোমার পরওয়ারদেগার যথার্থই জানেন দুরাচারদিগকে। Of them there are some who believe therein, and some who do not: and thy Lord knoweth best those who are out for mischief.

1 2 3